নায়ক

এখনই ডেস্ক নিউজঃ
  • প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল ২০২১, ১:০০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৩ মাস আগে

মনে হয় দু`চোখের আলোয় দিব্যি দেখতে পাচ্ছি ঝলমলে অতীত। আমার এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হয়েছে মাত্র। ১৯৮০ সালের মে-জুন মাসে কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে পরীক্ষা দিই। পরীক্ষার সময় বন্ধুদের সাথে কলেজের টিনসেট হোস্টেলে ছিলাম। তখন বাড়ি থেকে প্রায়ই ট্রেনে করে কিশোরগঞ্জ শহরে আসা-যাওয়া করতাম। একদিন চোখে পড়ে শহরের গৌরাঙ্গবাজার এলাকার রাস্তায় হকাররা হরেকরকম পোস্টার বিক্রি করছে। আসুন সস্তা দামে নিন, মহানায়ক উত্তম কুমারের ছবি।এই তো সেদিন মারা গেছেন। মহানায়ক উত্তমকুমার — মহানায়ক-মহানায়ক ইত্যাদি, ইত্যাদি। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে  দেখলাম, বেশ ক`জন প্রবীণ লোক পোস্টার কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। হলুদ পাতলা কাগজে এক পৃষ্ঠার পোস্টার সাইজ রঙিন ছবি। এটি উত্তমকুমারের শেষদিকের ছবি `অমানুষ` বা `আনন্দ আশ্রমে` তার চেহারাটি যেমন হয়েছিল সেরকম ছবি। তখন পর্যন্ত তাঁর নাম শুনে থাকলেও কোন ছবি দেখার সুযোগ হয়নি আমার। কিছুদিন পর শহরেই মামার বাসায় গিয়ে দেখি সে-ই পোস্টার সাইজ ছবিটি তাঁদের ড্রয়িং রুমে ঝুলে আছে। আমার চাকরিজীবী মামা নিজেই নাকি সম্প্রতি সংগ্রহ করে এনেছেন। এবং অনেক বছর ধরে ছবিটি মামার বাসায় আমিও দেখে এসেছি।

২) তাঁর অভিনয় বা সিনেমা দেখা শুরু করি মূলত ১৯৮১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরে। তখনও ঢাকার কিছু কিছু হলে বিশেষ করে পিলখানা বা ঢাকা সেনানিবাসের গ্যারিসন হলগুলোয় ভারতীয় বাংলা, হিন্দি ছবি দেখা যেতো। তাছাড়াও বিভিন্ন চলচ্চিত্র সোসাইটির আয়োজনে film festival গুলোতে। শাহবাগের জাদুঘর মিলনায়তন বা পাবলিক লাইব্রেরি অডিটোরিয়ামে এসব অনুষ্ঠিত হতো। উল্লেখ্য, সুচিত্রাসেন জুটিতে তাঁর প্রথম দিকের ছবিগুলো- ১৯৫৩-৫৪ সাল থেকে শুরু করে সেই সাড়ে চুয়াত্তর, অগ্নিপরীক্ষা, শাপমোচন, সূর্যতোরণ, হারানো সুর,সাগরিকা, পথে হল দেরী,সপ্তপদী, শিল্পী, ইন্দ্রানী, সবার ওপরে,বিপাশা, জীবন তৃষ্ণা, চন্দ্রনাথ, একটি রাত,  ইত্যাদি বিভিন্ন মাধ্যমে দেখা হয়েছে বহুবার। `৫৪ সালেই খ্যাতির চূড়ায় উঠে গিয়েছিলেন তিনি। তখনি তাঁর পারিশ্রমিক ছিল দশ হাজার টাকা। এখন ভাবা যায়? এখানে শেষ দিককার কয়েকটি বিখ্যাত ছায়াছবির কথাও উল্লেখ করা যায়, এ্যান্টনী ফিরিঙ্গী,চৌরঙ্গী, হার মানা হার, মৌচাক, নায়ক,সন্যাসী রাজা, চিড়িয়াখানা,অমানুষ, আনন্দ আশ্রম ইত্যাদি। যেসব ছায়াছবির জন্য অসংখ্য রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন মহানায়ক।

৩) মাত্র ৫৪ বছর বয়সে জীবনাবসান হয় এ অনিন্দ্য কান্তি রূপবান, আপাদমস্তক বাঙালি প্রতিকৃতির। চলে যাবার চল্লিশবছর অতিক্রান্ত হলেও তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করার লক্ষে টালিউডের চলচ্চিত্র পাড়ায় আর কেউ মাথা উঁচু করে তাঁর কাছাকাছি দাঁড়ানোরও সক্ষমতা প্রদর্শন করতে পারেনি।  আমার প্রয়াত স্ত্রী জেবু সবসময় মহানায়কের নিরঙ্কুশ ভক্ত ও অনুরাগী ছিল। বাসায় বসে একসঙ্গে সিনেমা দেখতে গিয়ে প্রায়ই মন্তব্য করতো, “বাঙালি সংস্কৃতির মৌলিক ও শৈল্পিক প্রকাশ-ভঙ্গির ক্ষেত্রে অভিনেতা উত্তমকুমার এর কোন জুড়ি নেই”। এ কথা সে ভীষন আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতেন। সুচিত্রা সেনের প্রতি তার দুর্বলতা থাকলেও শেষ বিচারে উত্তমই যেন তার কাছে অতিউত্তম। বলতেন, “নায়ক অবস্থায় উত্তম কুমার পৃথিবী ছেড়ে গিয়ে ভালোই করেছেন, বাঙালিরা তাঁকে এক অশীতিপর বৃদ্ধ শুভ্রকেশ দাদা  দেখতে চাইতো না। বরং মানুষের চোখে সে চিরকালের নায়ক হয়েই থাকবে“। আমি একদিন তাকে বলেছিলাম, শোন, তোমার প্রিয় নায়ককে নিয়ে একটি অসাধারণ লেখা পত্রিকায় পাঠাব এবং মানুষ তা আগ্রহভরে পড়বে। আজ আমার মনে হয়, তার এমন ভাবনার জন্ম হয়েছিল পরিবার থেকেই কারণ বছরের পর বছর তাদের বাসায় থাকা সেই পোস্টার সাইজ রঙিন ছবি। যা দেখে দেখে সে প্রাপ্তবয়স্কা  হয়েছে আর মনের অজান্তেই তাঁর প্রতি এক ধরনের পক্ষপাত তাকে প্রভাবিত করে চলেছে।

৪) কিছুদিন হলো-কলকাতায় এসেছিলেন বলিউডের শাহানশা নামে বিশ্বখ্যাত তারকা অভিনেতা শাহরুখ খান। আইপিএল ক্রিকেট খেলার সাথে জড়িয়ে আছেন তিনি। তার দল কলকাতা নাইট রাইডার (KKR)। সেদিন কলকাতা এবং বাংলা সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “এখানকার দু`জন কিংবদন্তি আমাকে সবসময়ই টানে, নেতাজী সুভাসচন্দ্র বসু আর মহানায়ক উত্তমকুমার। আমার কাছে কলকাতা মানে দুই বাঙালি”।

৫) তাঁর অকাল মৃত্যুতে শোকাভিভূত হয়ে বাংলা গানের ভুবনের অন্যতম প্রধান দিকপাল তথা চিরায়ত হিরন্ময় কন্ঠের অধিকারী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মন্তব্য ছিল, “আমি কোনক্রমেই মেনে নিতে পারছিনা উত্তর কুমার নেই। আমার এ অনুজপ্রতিম ভাইটিকে প্রায়শই বলতাম, তুমি গানের শিল্পী হলে আমার যে কি হতো তা কেবল ইশ্বরই জানেন”। সংগীতের স্বরলিপি, তাল, লয় বিষয়ে এত অগ্রসরমান, অভিনয় শিল্পী তিনি খুব বেশি পাননি। হেমন্ত মুখার্জির কন্ঠ যেন স্রষ্ঠা তাঁর জন্যই সৃষ্টি করে দিয়েছিলেন।  ইংরেজিতে যাকে বলে made for each other। আর এ কারনেই বোধকরি বিগত প্রায় সত্তুর বছর ধরে বাঙালির মননে, মগজে, হৃদয়ের গহীন ভেতরে সর্বদা বাজে এঁদের কালজয়ী গানগুলো। অনেকে বলেন, এ যুগলবন্দীর অগনিত গানের মধ্যে সেরা রোমান্টিক গান হলো – ইন্দ্রানী ছবির “নীড় ছোট ক্ষতি নেই আকাশ তো বড়, হে মন বলাকা মোর অজানার আহবানে চঞ্চল পাখা মেলে ধরো” — সঙ্গে  গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। `শাপমোচন` ছবির “ঝড় উঠেছে বাউল বাতাস আজিকে হলো সাথী” গানটিও পুরস্কার পেয়েছিল। পরবর্তীতে উত্তমকুমার তাঁর সমসাময়িক অন্য অনেক কন্ঠশিল্পীর গানেও ঠোঁট মিলিয়েছেন। উল্লেখ করা যায়, মান্নাদে, মানবেন্দ্র,শ্যামল মিত্র, কিশোর কুমার প্রমুখ। ১৯৬৭ সালে মান্নাদে`র গাওয়া মহানায়কের লিপে `অ্যান্টোনি ফিরিঙ্গি` ছবির কালজয়ী দুটো গান মনে হয় কখনো আবেদন হারাবে না। “আমি যে জলসাঘরে বেলোয়ারী ঝাড়-” অপরটি “আমি যামিনী তুমি শশী হে ভাতিছো গগন মাঝে”—  দুটোরই গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার এবং সুরকার অনীল বাগচি।

৬) ৭০ দশকের তাঁর বেশির ভাগ ছবিতে শ্যামল মিত্র, কিশোরকুমার ও বাপ্পি লাহিড়ী মাতিয়ে রাখেন। কিশোর কুমারের একটি আলোচিত গান তাঁর খুবই প্রিয় ছিল। সবসময় গানটি তিনি গাইতে চাইতেন।
“এই যে হেথায় কুন্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে
এ জীবনে যে ক`টা দিন পাব হেসে খেলে কাটিয়ে যাব দোহে –
১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই নায়কের এমন অকাল মৃত্যুর পর কলকাতাকেন্দ্রিক শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সৃষ্টির প্রতিটি অঙ্গনে যেন বিষাদের অন্ধকার ছায়া নেমে আসে। সাধারণ মানুষ পর্যন্ত স্তম্ভিত, বাকরুদ্ধ ও হতবিহ্বল হয়ে পড়েছিল। সে সময় কিশোরকুমারের বিখ্যাত কিছু গান নিয়ে একটি `এ্যালবাম` বের হলো এবং তা যথারীতি উত্তমকুমারকে উৎসর্গ করা হয়। “সে যেন আমার পাশে আজও বসে আছে “। উল্লেখ্য, তাঁর মৃত্যুর পর টালিগঞ্জ মেট্রোরেল স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছিল `মহানায়ক স্টেশন`।

৭) `নায়ক` ছবির পরিচালক বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও `অস্কার` জয়ী সত্যজিৎ রায় বলেছিলেন, “উত্তমকুমার  বাংলা চলচ্চিত্রের শেষ নায়ক। নায়কে আমার চেয়ে তার কৃতিত্বই বড়। `নায়ক` চরিত্রটি ছবির মত ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল উত্তমই। গায়ের সেই স্যুট, সানগ্লাস আর ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা সিগারেট সব মিলিয়ে তাঁর উচ্চারিত প্রতিটি শব্দের মধ্যে ঝরে পড়েছে উত্তমব্যক্তিত্ব”। বলাবাহুল্য, `নায়ক` ষাট দশকের সেরা রোমান্টিক ছবি হিসেবে আজো বিবেচিত। মূলত তখন থেকেই সুপারস্টার বা মহানায়ক।

৮) উত্তমের নায়িকাদের মধ্যে সুচিত্রাসেন, সুপ্রিয়া দেবী, সাবিত্রী, তনুজা, সন্ধ্যা, অপর্ণাসেন, মালা সিনহা,শর্মিলা ঠাকুর ছাড়াও দুয়েক একজন ছিলেন। তবে সর্বাধিক ছবি সুপ্রিয়ার সাথে ৩৫টি আর ২৩টি ছবি করেছেন সুচিত্রা সেনের সঙ্গে। তবে সুচিত্রাতেই সবচেয়ে বেশি আলোচিত ও দর্শক নন্দিত হয়েছেন।

তবে চলচ্চিত্র গবেষকগন বলেন, সে সময়কার সিনেমাকে স্বর্ণযুগ আখ্যায়িত করা হয় কেবল মাত্র নায়ক,নায়িকার জন্য নয়। পার্শ্বচরিত্রের ভূমিকাও ছিল অসাধারণ ও অপরিহার্য মানের। ছবিতে পাহাড়ি সান্যাল, ছবি বিশ্বাস,ছায়া দেবী, কমলমিত্র, অনুপ কুমার, জহরগাঙুলি,অরুণ চ্যাটার্জি, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়,রবিঘোষ, তুলসী চক্রবর্তী,উৎপল দত্ত প্রমুখের উপস্থিতিই চলচ্চিত্রগুলোকে যুগোত্তীর্ণ করে দেয়।

৯) তাঁর প্রথম ছবি রবি ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে `দৃষ্টিদান` ১৯৪৮ সালে রিলিজ হয়। সর্বশেষ ছবি `ওগো বধূ সুন্দরী ` ১৯৮০ সালে মুক্তি পেলেও তিনি দেখে যেতে পারেননি। শুটিং চলাকালীন স্টুডিওর সেটেই নাকি খানিকটা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অনেকে মনে করেন, ওখানেই তাঁর মৃদু হার্ট অ্যাটাক হয়। সেদিন রাতেই পুণর্বার অ্যাটাক হলে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। `৪৮ সালেই তাঁর বিয়ে হয় স্ত্রী ধনাঢ্য ব্যবসায়ীর মেয়ে গৌরীদেবী। তাদের এক সন্তান গৌতম চ্যাটার্জি। যদিও জীবনের শেষ সতেরো বছর দ্বিতীয় স্ত্রী সুপ্রিয়ার সাথেই ছিলেন।
প্রাসঙ্গিক যে, ২০০০ সালে এক সরকারি কাজে কলকাতা সফর করি। বেশ কিছুদিন সেখানে ছিলাম। বিকেলে কাজের অবসরে এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়াতাম। একদিন আমরা দু`সহকর্মী মিলে উত্তমকুমারের বাড়ি দেখতে যাই। ট্যাক্সি চালককে বলতেই সঙ্গে সঙ্গে রাজি। চলুন স্যার, আমি মহানায়কের সব ক`টা বাড়ি চিনি। প্রথমে সরাসরি গিরিশ মুখার্জি রোডে তাঁর পুরনো বাড়ির সামনে হাজির হই। ওনার কক্ষটি দেখার জন্য সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠি। প্রতি ফ্লোরে দরজার সাথে ঝুলছে নাম এবং লেটারবক্স। নিচ থেকে যথাক্রমে তরুণ, বরুণ ও অরুণ চ্যাটার্জি। অরুণ চ্যাটার্জি আর কেউ নন তিনি বাঙালির চিরকালীন মেটিনি আইডলহিরো উত্তমকুমার। আমাদের গাইড জানান, তিনি বেঁচে নেই তবুও এখনো চিঠি পত্র আসে।

সেদিন আমরা টালিগঞ্জে গিয়েছিলাম এবং সেখানেই দেখা হয়েছিল বাঙালির আরেক গ্রেট হিরো সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সাথে। তাঁর সঙ্গে চা খাওয়া এবং কিছু সময় গল্প করারও এক সুবর্ণ সুযোগ হয়েছিল স্টুডিও পাড়ায়। কথায় কথায় তাঁর কাছেও উত্তমকুমার সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন, “উত্তম দা আমার চেয়ে ৮ বছরের বড়। আমরা একসাথেও অনেক ছবিতে কাজ করেছি”। সেদিন তিনি আমাদের নিয়ে উত্তমকুমারের সর্বাধিক অভিনীত দুটো স্টুডিও দেখিয়েছিলেন। উল্লেখ্য,উত্তমকুমার ১৯২৬ সালে এবং সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ১৯৩৫ সালে জন্মগ্রহন করেন।

১০) প্রায় দুই শতকের কাছাকাছি ছায়াছবিতে  অভূতপূর্ব ও অনবদ্য অভিনয় করেছেন এবং যার মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেন বাংলা সিনেমার চিরকালের মহানায়ক। বিস্ময়কর হল, একজন অভিনেতা চারদশকের অধিককাল অনুপস্থিত, লোকারণ্যে কোথাও তিনি নেই, একেবারে অদৃশ্য চোখের আড়ালে চলে গেছেন। অথচ সারা দুনিয়ার বাংলা ভাষাভাষী মানুষের সিনেমাপ্রীতি, সিনেমার একাল সেকাল যে কোন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আজও ধ্বনিত হয় তাঁর নাম, তাঁর সেই শৈল্পিক কথোপকথন, উচ্চারণ ও রোমান্টিক ডায়ালগ। তাঁর জীবন ও কীর্তিগাঁথা নিয়ে আলোচনা চলুক অনিঃশেষ অন্তহীন।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

কারিগরী সহায়তায়: নি-টেক