প্রকৃতিক পরিবেশে অপরুপ বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা

এখনই ডেস্ক নিউজঃ
  • প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২১, ৪:০১ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৪ মাস আগে

রাজধানী ঢাকার মিরপুরে মনোরম প্রকৃতিক পরিবেশে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা অবস্থিত। জনসাধারণের বিনোদন, প্রাণি বৈচিত্র সংরক্ষণ, প্রজনন, গবেষণা এবং বন্যপ্রাণি সম্পর্কিত জ্ঞান বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে ১৯৫০ সালে ঢাকা হাইকোর্ট প্রাঙ্গনে অল্প সংখ্যক বন্যপ্রাণি নিয়ে বাংলাদেশে চিড়িয়াখানার যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে মিরপুরে চিড়িয়াখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয় এবং ১৯৭৪ সনের ২৩ জুন বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

সুনিবিড় ছাড়াঘেড়া এ ঢাকা চিড়িয়াখানার আয়তন প্রায় ৭৫ হেক্টর।যার মধ্যে  ১৩ হেক্টরের দুটি লেক আছে । চিড়িয়াখানা তথ্যকেন্দ্র হতে প্রাপ্ত তথ্য হতে জানা যায়, বর্তমানে ঢাকা চিড়িয়াখানায় ১৯১ প্রজাতির ২১৫০টি প্রাণী রয়েছে। এদের মধ্যে চিত্রা হরিণ, বানর, নীলগাই, সিংহ, জলহস্তি, গন্ডার, ভালুক, সিংহ, কুমির, জেব্রা, ফ্লেমিংগো, কানিবক, পানকৌড়ি ও মাছরাঙা অন্যতম। আর প্রাণি জাদুঘরে রয়েছে প্রায় ২৪০ প্রজাতির স্টাফিং করা পশুপাখি। জনসাধারণের বিনোদন, দূর্লভ, বিলুপ্তপ্রায় বন্য প্রাণি সংগ্রহ ও প্রজনন, প্রাণি বৈচিত্র সংরক্ষণ, শিক্ষা, গবেষণা এবং এ বিষয়ে গণসচেতনতা বৃদ্ধি ঢাকা চিড়িয়াখানা প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্দেশ্য।

খোলা বন্ধের সময়সূচী:
জাতীয় চিড়িয়াখানা প্রতি রবিবার বন্ধ থাকে। তবে রবিবার সরকারী ছুটির দিন হলে সেই রবিবার চিড়িয়াখানা খোলা থাকে। গ্রীষ্মকালে (এপ্রিল-অক্টোবর) সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকে এবং শীতকালে (নভেম্বর-মার্চ) সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে চিড়িয়াখানা সাময়িক বন্ধ রয়েছে।

প্রবেশ টিকেট মূল্য:
দুই বছরের বেশি যে কারও জন্যে মেইন গেইট প্রবেশ করতে টিকেট মূল্য ৫০ টাকা। জু মিউজিয়ামে প্রবেশ করতে টিকেট মূল্য ১০ টাকা। দুই বছরের কম বাচ্চার জন্যে কোন টিকেট লাগবে না। এছাড়া স্কুল, কলেজ এবং ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট এর ক্ষেত্রে প্রবেশ টিকেট মূল্য অর্ধেক। সেই ক্ষেত্রে নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড দেখাতে হবে।

পিকনিক স্পট ভাড়া:
উৎসব এবং নিঝুম নামের পিকনিক স্পট সারাদিনের জন্যে ভাড়া করতে লাগবে যথাক্রমে ১০,০০০ ও ৬,০০০ টাকা।

কার পার্কিং ফি:
বাস, ট্রাক, মিনিবাস ধরণের যানবাহনের জন্যে ৪০ টাকা। মাইক্রোবাস, ট্যাক্সি, জীপ, প্রাইভেট কার, পিক আপ এই ধরণের গাড়ির জন্যে পার্কিং ২০টাকা। সিএনজি, টেম্পু, মটরসাইকেল ইত্যাদির জন্যে ১০টাকা। রিক্সা, বাইসাইকেল ইত্যাদির জন্যে ২ টাকা পার্কিং ফি।

কিভাবে যাবেন:
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানাগামী বাস চলাচল করে। এছাড়া নিজস্ব পরিবহণ ট্যাক্সি, সিএনজি কিংবা প্রাইভেটকার ভাড়া করেও চিড়িয়াখানায় যেতে পারবেন।

কোথায় খাবেন:
চিড়িয়াখানার সামনে বেশকিছু খাবারের দোকান রয়েছে চাইলে সেখানে খেতে পারবেন। তবে অবশ্যই খাওয়ার পূর্বে খাবারের মূল্য সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

কারিগরী সহায়তায়: নি-টেক